বসবাসের জন্য পৃথিবী অমূল্য। তবে সেটা ভাবার্থে। বিশেষ করে এর বাইরে এখনো যখন বাসযোগ্য কোনো গ্রহের সন্ধান মেলেনি। তবে পৃথিবীর একটা অর্থমূল্য তো আছেই। প্রাকৃতিক সম্পদগুলোকে অর্থমূল্যে মাপা যেতে পারে। আবার পৃথিবী থেকে মানুষ যে যে সুবিধা পেয়ে আসছে, তারও আর্থিক একটা মূল্য ধরা যেতে পারে।

ভাবনা নেই, পৃথিবী ক্রয় বা বিক্রয়ের চিন্তা কেউ করছে না। তবে সামনে একটা সংখ্যা পেলে মূল্য বুঝতে সুবিধা হতে পারে। মেন্টালফ্লস ডটকমের নিবন্ধে এক জ্যোতিঃপদার্থবিজ্ঞানীর পৃথিবীর অর্থমূল্য বের করার পদ্ধতির উল্লেখ পাওয়া যায়।

সে নিবন্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়ার জ্যোতির্বিদ্যা ও জ্যোতিঃপদার্থবিজ্ঞানের সহকারী অধ্যাপক গ্রেগরি লাফলিন বলেছেন, পৃথিবীর মূল্য পাঁচ কোয়াড্রিলিয়ন বা ৫০ কোটি কোটি (৫,০০,০০,০০,০০,০০,০০,০০০) ডলার। পৃথিবীর ভর, তাপ ও বয়সের সঙ্গে জীবন টিকিয়ে রাখার আরও অনেক বিষয় মিলিয়ে এই হিসাব কষেছেন তিনি।

আরও দেখে আস্তে পারেন: ১৫ ডিসেম্বর থেকে শুরু হতে যাচ্ছে সরকারি মাধ্যমিক স্কুলে ভর্তির আবেদন।

পৃথিবীর মূল্য নির্ণয়ে জীবন টিকিয়ে রাখার ব্যাপারটিতেই সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন লাফলিন। আর পৃথিবীর গুরুত্ব বোঝাতে সৌরজগতের অন্যান্য গ্রহের সম্ভাব্য মূল্যও দেখানোর চেষ্টা করেছেন তিনি। যেমন মঙ্গল গ্রহের মূল্য তাঁর কাছে পুরোনো কোনো গাড়ির মতোই— বড়জোর ১৬ হাজার ডলার। শুক্রের তুলনায় সেটি ঢের বেশি। কারণ শুক্র গ্রহের দাম লাফলিনের হিসাবে কেবল এক সেন্ট।

মানুষের বসবাসের একমাত্র গ্রহের গুরুত্ব বোঝাতে লাফলিন কেবল একটা তাত্ত্বিক ধারণা দিতে চেয়েছেন। আর প্রাকৃতিক সম্পদের অর্থমূল্যের হিসাব কষতে চাইলে কেবল ‘সিক্সটিন সাইকি’ গ্রহাণু গোটা পৃথিবীর অর্থনীতির চেয়েও দামি হবে বলে এর আগে আমরা দেখেছি।

আরও বিস্তারিত জানতে এখানে প্রশ্ন করুন

Subscribe
Notify of
guest
0 Comments
Inline Feedbacks
View all comments